Institute Type
ফটোগ্যালারি
| নং | নাম | অফিসের ছবি | অর্জন | ভবিষৎ পরিকল্পনা | মেধাবী ছাত্রবৃন্দ | শিক্ষাবৃত্তি তথ্যসমুহ | ইতিহাস | ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক) | বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য | বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল | যোগাযোগ | সংক্ষিপ্ত বর্ণনা | প্রতিষ্ঠাকাল | পাশের হার | মোট ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা | ধরণ | ফটোগ্যালারি | প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ | অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা | কার্যকলাপ | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ১ | নয়াবাজার কে.সি. উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ | খেলাধুলায়ঃ আন্তঃ উপজেলা স্কুল প্রতিযোগিতায় ১ বার চ্যাম্পিয়ান,২বার রানার্সআপ । স্কাউটঃ আন্তঃ উপজেলা স্কুল জাম্বুরীতে ২ বার চ্যাম্পিয়ান । সংস্কৃতিঃআন্তঃ উপজেলা স্কুল সাংস্কৃতিক ও বিতর্ক প্রতিযোগিতায় ছাত্রছাত্রীরা অংশগ্রহন করে পুরুষ্কারপ্রাপ্ত হয় । | ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাঃ বিদ্যালয়কে কলেজে রুপান্তর, বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন,পাঠাগার স্থাপন । |
|
| কুলাউড়া উপজেলার টিলাগাঁও ইউনিয়নের সালন গ্রাম নিবাসী প্রয়াত বাবু কৃষ্ণ চন্দ্র দত্ত এর ভুমি দান এবং হাজীপুর ইউনিয়নের কটারকোনা গ্রাম সহ আশেপাশের গ্রামের শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিবর্গের আর্থিক ও সার্বিক সহযোগিতায় ১৯১৮ সালে বিদ্যালয়টি স্থাপিত হয় । বিদ্যালয়টি মোট ৮৬ শতক ভুমির উপর স্থাপিত, এছাড়া বিদ্যালয়টির ৮০ শতক ভুমির উপরনিজস্ব একটি খেলার মাঠ রয়েছে । মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসাবে ১৯৪৮ সালে বিদ্যালয়টি স্বীকৃতি লাভ করে এবং এই বছরের ১৯ শে অক্টোবর এমপিওভুক্ত হয় । | বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী সংখ্যা ঃ
| পরিচালনা কমিটির তথ্য
|
বিগত ২ বছরের জে এসসি পরীক্ষার ফলাফল
বিগত ৫ বছরের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল
| মোবাইল নংঃ ০১৭১৬০৯৫৯২৬ যাতায়াতঃ কুলাউড়া উপজেলা সদর হইতে ১৭ কিঃমিঃ দক্ষিন পশ্চিমে ব্রাহ্মনবাজার শমসেরনগর রোডে কঠারকোনা বাজার সংলগ্ন । | বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ হইতে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীদের পাঠদান করানো হয় । বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেনীতে ক ও খ শাখা বিদ্যমান আছে । ৮ম,৯ম ও ১০ম শ্রেনীতেও ১টি করে শাখা বিদ্যমান । ৯ম ও ১০ম শ্রেনীতে মানবিক ও বিঞ্জান শাখায় পাঠদান দেওয়া হয় । বিদ্যালয়ে কম্পিউটার শিক্ষা বিষয়ের পাঠদানের অনুমতি রহিয়াছে এবং ৯ম ও ১০ম শ্রেনীর ছাত্রছাত্রীদের পাঠদান করানো হয় । বিদ্যালয়ে বর্তমানে ৬২৩ জন ছাত্রছাত্রী অধ্যয়নরত আছে । | ১৯১৮খ্রি. | ৮৪.৪২% | কলেজ | | | দেখুন | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ২ | বরমচাল উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ | | | | | |
|
| এইচ.এস.সি পরীক্ষাঃ
এস.এস.সি পরীক্ষা
জে.এস.সি পরীক্ষা
| কুলাউড়া উপজেলা হইতে সড়ক পথে ১৫ কি.মি. পশ্চিম -উত্তর দিকে বরমচাল গ্রামে অবস্থিত। | | ১৯৫০ খ্রি. | ৭০% | কলেজ | | | দেখুন | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ৩ | ছকাপন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ | উপজেলা স্কাউটের প্রথম সমাবেশে বিদ্যালয়ের ছাত্র আব্দুল হাসান শ্রেষ্ঠ স্কাউটার নির্বাচিত হয়।তাছাড়া আন্ত:স্কুল ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় এ প্রতিষ্ঠান থেকে প্রেরিত দল বিভিন্ন সময় চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স হয়েছে। | অত্র প্রতিষ্ঠানে জে.এস.সি ও এস.এস.সি পরীক্ষা কেন্দ্র চালুসহ শিক্ষার সার্বিক মান উন্নয়নে অভিভাবকদরে অংশগ্রহন নিশ্চিতকরণ।ভৌত অবকাঠামোর উন্নতি করা এবং শিক্ষকদের মান সম্মত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ ইত্যাদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে এবং এ লক্ষে বর্তমানে কাজ চলছে। | |
|
কাদিপুর ইউনিয়নে মাধ্যমিক পর্যায়ে কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছিল না। এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ছেলেমেয়েদের উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করার জন্য মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করল।এ প্রয়োজনের তাগিদে এলাকার সকল শ্রেনীর মানুষ সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ১৯৮২ সালে প্রতিষ্ঠিত করেন ছকাপন উচ্চ বিদ্যালয়।এতে অগ্রণী ভূমিকায় ছিলেন ভুমিদাতা প্রয়াত জনাব ইউছুব আলী , জনাব মোঃ মকদ্দছ আলী ,প্রয়াত জনাব মনাত্তর আলী এবং জনাব আব্দুল ওদুদ। পরবর্তী সময় হাসিমপুর নিবাসী জনাব আব্দুল খালিক (পাখি মিয়া) ১৫(পনের) শতক ভূমি ,প্রয়াত ইউছুব আলী সাহেবের স্ত্রী রাজিয়া খানম প্রায় ১.২৫ শতক ভূমি বিদ্যালয়কে দান করেন। পরবর্তী পর্যায়ে ২০০৩ সালে এলাকার সর্বস্তরের মানুষের অনুরোধে লন্ডন প্রবাসী জনাব জয়নাল আবেদীন হীরা সাহেবের একক আর্থিক সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠানটি কলেজে রুপান্তর করা হয়। |
|
|
|
কুলাউড়া উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার উত্তর পর্শ্চিমে প্রতিষ্টানটি অবস্তিত। কুলাউড়া-নবাবগঞ্জ সড়কের পশ্চিম পার্শ্বে ও ছকাপন রেল ষ্ট্রেশন থেকে ২০০ মিটার দক্ষিনে কলেজটির অবস্থান। |
হাকালুকি হাওরের পাদদেশে কুলাউড়ার নবাবগঞ্জ রাস্তা সংলগ্ন পশ্চিমপার্শ্বে ছকাপন রেল ষ্টেশন থেকে ২০০ মিটার দক্ষিনে এক মনোরম পরিবেশে কলেজটির অবস্থান। প্রতিষ্ঠানের ভৌত অবকাঠামোর মধ্যে ২টি পাকা ১ তলা বিল্ডিং এবং ১টি আথাপাকা টিনসেট বিল্ডিং রয়েছে।এছাড়া.......টি শ্রেনী কক্ষ,.....টি অফিস কক্ষ এবং ১টি কম্পিউটার ল্যাব রয়েছে। কলেজটির ভবনসমুহ ইউ আকৃতির।বিদ্যালয়টি ২০০৩ সালে কলেজে রুপান্তর করা হয়েছে। বিদ্যালয় শাখায় মানবিক,বিজ্ঞান ও বানিজ্য এবং কলেজ শাখায় মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ চালু রয়েছে। ।স্কুল শাখায়.......জন শিক্ষকের মধ্যে ..... জন পুরুষ , ও....জন মহিলা এবং কলেজ শাখায়......জন শিক্ষকের মধ্যে .......জন পুরুষ এবং ......জন মহিলা। | ১৯৮২ খ্রি. | ৯৪% | কলেজ | | | দেখুন | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ৪ | ইয়াকুব তাজুল মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ | | | | | | | সভাপতি-জনাব নওয়াব আলী আব্বাস খান,মাননীয় সংসদ সদস্য -- --- সদস্যসচিব-জনাব আব্দুল রউফ,অধ্যক্ষ,ইয়াকুব তাজুল মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় | | কুলা্উড়া,মৌলভীবাজার | মেয়েদের উচ্চ শিক্ষার জন্য কলেজটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। বর্তমানে কলেজটিতে অনার্স কোর্স চালু করা হয়েছে। | ৮৭% | কলেজ | | | দেখুন | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ৫ | ইউছূফ গনি আদর্শ কলেজ | | ছাত্র/ছাত্রীর সংখ্যা বৃদ্ধি করা,ফলাফল ১০০% এ উন্নীত করা,কলেজটিকে ডিগ্রি পর্যায়ে উন্রতি করা,বি.বি.এ কোর্স খোলা সহ আধুনিকরনে মহাপরিকল্পনা রয়েছে। | | সিলেট বোর্ডে বৃত্তি প্রাপ্ত তামান্রা বেগম সন-২০১১ | মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার দাউদপুর গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান আলহাজ এ.এন.এম ইউছূফ এডভোকেট এ কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন।অসাধারন স্মৃতি শক্তির অধিকারী এক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সাবেক এম পি কুলাউড়া র শিক্ষা বিস্তার ও উন্নয়নের স্হপতি,চারটি কলেজ,এক উচ্চ বিদ্যালয় ও অসংখ্য প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজেল প্রতিষ্ঠাতা সদস্য,ঢাকা মেট্রপলিটন বারের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি,বার কাউন্সিলের সদস্য,বাংলাদেশ সুপ্রীম কোটের আইনজীবি আলহাজ্ব এ.এন.এম ইউছূফ। ঢাকা থেকে রাজনৈতিক ওও সামাজিক কারণে প্রতি সপ্তাহে দুই দিন গ্রামের বাড়ী কুলাউড়া দাউদপুর গ্রামে আসতেন। একদিকে হাওড় অন্যদিকে পাহাড় ঘেরা চা বাগানের মধ্যদিয়া ব্রাহ্মণবাজার সিলেট বোর্ডের পার্শ্বে নবীনগন মৌজার হত দরিদ্র জনগনের ছেলে মেয়ের কুলাউড়া গিয়ে শিক্ষার সুযোগ করে দিতে ব্যক্তিগত অর্থ ও ভূমি দানের মাধ্যমে এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের পরামর্শে তার পিতা স্মৃতি অম্লান করে রাখার জন্য ১৯৯৫ সনে ইউছূফ-গনি আদর্শ কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন।১৯৯৫ সালে বিশ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ও তিন একর ভূমি দানের মাধ্যমে এলাকার জনগনের সার্বিক সহযোগিতায় ইউছুফ-গনি আদর্শ কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়। |
|
|
| মোবাইলনং ০১৭১১২৮৯০৪১ অধ্যক্ষ ইউছূফ-গনি আদর্শ কলেজ কাজলধারা,কুলাউড়া,মৌলভীবাজার। | ১৯৯৫খ্রি. ৬ আগষ্ট জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য্য ডঃ এম এ বারীর উদ্বোধনের মাধ্যমে কলেজ কার্যক্রম আরম্ভ হয়। ১.৭.১৯৯৫খ্রি. হতে কলেজে ছাত্র ভর্তির অনুমতি লাভ করে এবং ২৪শে আগষ্ট ১৯৯৫খ্রি.সনে সিলেট বিভাগীয় কমিশনার মোঃ হাবিবুর রহমানঃ সাহেবের আনুষ্ঠানিক ভর্তি কার্যক্রম উদ্বোধনের মাধ্যমে কলেজটি যাত্রা শুর করে। পরবর্তী বছর ১.৭.১৯৯৬খ্রি. হইতে কলেজটি একাডেমিক স্বীকৃতি লাভ করে। মানবিক ও বানিজ্য বিভাগ নিয়ে পূর্নাঙ্গ ভাবে চলতে থাকে।বর্তমানে কলেজে শিক্ষক/কর্মচারীর সংখ্যা ২২ জন। কলেজে দ্বিতল ভবন সহ ৩টি টিনশেড ভবন আছে। একটি পুর্নাঙ্গ লাইব্রেরী আছে। | ১৯৯৫ খ্রি. | ৭২.৭৩% | কলেজ | | | দেখুন | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ৬ | ভূকশিমইল মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ | উপজেলা পর্যায়ে খেলাধুলায় পুরস্কার লাভ, উপজেলার মধ্যে ১৯৯৮ এবং ২০০৩ সনে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে স্বীকৃতি লাভ, প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার কোর্স চালু আছে এবং ইন্টারনেট সংযোগ আছে। | শতভাগ উপস্থিতি ও ফলাফল নিশ্চিত করা। | মেধাবী ছাত্রবৃন্দ:
১। তাজ উদ্দিন -সহযোগী অধ্যাপক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট। ২। লুৎফুর রহমান, জাকির হোসেন, ময়নুল ইসলাম-এম,বি,বি,এস ডাক্তার। ৩। আবুল কাসেম- অতিরিক্ত হাকিম, সিলেট জজকোর্ট। ৪। মো: ইকবাল হোসেন-বেটেনারী সার্জন, হবিগঞ্জ। | স্কাউট কার্যক্রম, কিশোরকিশোরী ক্লাব, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের অধীনে বই পড়া কার্যক্রম | দেশ স্বাধীন হওয়ার অব্যবহিত পরপর এলাকার যুব সম্প্রদায় মুরম্নববীয়ানদের সহযোগিতায় ১৩৬.৫০ টাকা মুলধন নিয়া বিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরম্ন হয়। প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে জনাব মোহাম্মদ মাশুক প্রধান শিক্ষক হিসাবে এবং মরহুম আব্দুছ ছালেক সহকারী শিক্ষক হিসাবে নিয়োজিত ছিলেন এবং ছাত্র/ছাত্রীর সংখ্যা ছিল ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে ২২ জন। পরবর্তীতে এলাবাসীর সার্বিক সহযোগিতায় বিশেষভাবে গভর্নিং বডির বর্তমান সভাপতি জনাব এম, সুলায়মান এবং তাঁহার মরহুম পিতা মো: রহাব মিয়ার ঐকামিত্মক প্রচেষ্ঠায় প্রতিষ্ঠানটি আগাইয়া চলে। ভূকশিমইল নিবাসী মরহুম ইয়াকুব আলী সাহেবের উৎসাহে তাঁহার পুত্র জনাব ইলিয়াছ আলী প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে জায়গা দান করেন। মরহুম হাজী ফরমুজ আলীর। আর্থিক সহায়তায় বর্তমান বিদ্যালয় ভবনের জায়গা ১৯৭৩ইং খরিদ করা হয়। ০১/০১/১৯৭৩ ইং হইতে জুনিয়র বিদ্যালয় হিসাবে, ২৯/০৫/৭৫ইং হইতে মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসাবে পরিচালিত হয় এবং ০১/০৭/২০০৪ইং হইতে কলেজ শাখায় ছাত্র/ছাত্রীর ভর্তির অনুমতি পাওয়া যায়। তৎকালীন সময়ে অত্র এলাকায় কোন উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছিল না। বিধায় এই প্রতিষ্ঠান স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। |
| গভর্নিং বডির সদস্যবৃন্দের নাম
নির্বাচনের তারিখ : ২৫/০৩/১২ইং মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ : ১৭/০৫/১৪ইং ১ম সভা : ১৭/০৫/১২ইং |
| কুলাউড়া উপজেলা হইতে ১০ কি.মি. উত্তর-পশ্চিম দিকে। নৌকা ও সড়কপথে যাতায়াতের ব্যবস্থা | মৌলভীবাজার জেলাধীন কুলাউড়া উপজেলার অমর্ত্মগত বাংলাদেশের বৃহত্তম হাওড় হাকালুকি এর দক্ষিণ তীরে ২নং ভূকশিমইল ইউনিয়নে অবস্থিত। প্রতিষ্ঠানটি কুলাউড়া সদর হইতে উত্তর দিকে ১০ কি.মি. এবং জুড়ি উপজেলা হইতে পশ্চিম দক্ষিণে প্রায় ১৪ কি.মি দূরে অবস্থিত। কুলাউড়া উপজেলার সাথে নৌকা ও সড়ক পথে যোগাযোগের ব্যবস্থা আছে। প্রতিষ্ঠানটি একটি অনুন্নত ও ভাটী অঞ্চলে অবস্থিত। অত্যধিক বন্যায় প্রতিষ্ঠানটি পানিতে নিমজ্জিত হইয়া যায় এবং বন্যাকালীন সময়ে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ থাকে। | ১৯৭২ | ৯৬.৫৫% | কলেজ | | | দেখুন | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ৭ | ভাটেরা স্কুল এন্ড কলেজ | | | | | |
| | | | | ১৯৬৭ | 98.61% | কলেজ | | | দেখুন | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ৮ | কুলাউড়া ডিগ্রী কলেজ | | | | | | | | | | কেলজিট কুলাউড়া উপেজলা েথেক ১ িক.িম দিক্ষ িদেক সবেচেয় প্রীন িবদ্যাপীঠ। | ১৯৬৯ | ৮৭% | কলেজ | | | দেখুন | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ৯ | লংলা আধুনিক ডিগ্রি কলেজ | | | | | সাবেক এম.পি এডভোকেট আলহাজ্ব এ.এন.এম ইউসুফ সাহেব এর উদ্যোগে রাউৎগাঁও, পৃথিমপাশা, কর্মধা ও টিলাগাঁও ইউনিয়নের শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিদের নিয়ে ১৯৯৮ খ্রি. ২৬ আগষ্ট এক সাধারণ সভার সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ১ সেপ্টেম্বর ১৯৯৮ খ্রি. রাউৎগাঁও গ্রামে বাবু অজিত কুমার দেব চৌধুরীর দোকান গৃহে অস্থায়ী কার্যালয়ে একাদশ শ্রেনীতে ১৭ জন শিক্ষার্থীর ভর্তির মাধ্যমে ১৯৯৮-৯৯ সালে কলেজটির যাত্রা। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ক্লাস করানোর জন্য পূর্ব রাউৎগাঁও সরকারী প্রা.বিদ্যালয়ের আঙ্গিনায় টিনসেড ঘর নির্মান করে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করানো হয়। পরবর্তীতে ১৯৯৯ সালে মনরাজ নিবাসী বাবু সুশীল চন্দ্র দাস কুলাউড়া-রবিরবাজার সড়কের পার্শ্বে মনরাজ গ্রামে ৪২ শতক ভূমি ও একই গ্রামের আলহাজ মো. আব্দুল জববার চৌধুরী ২৬ শতক ভূমি কলেজ চত্ত্বরে দান করেন। ইটাহরী নিবাসী মাসুদ আহমদ চৌধুরী ৬০ শতক, হাজী কুটুর উল্লা ১৪ শতক, মো. উস্তার মিয়া ১৫ শতক, আব্দুল আজীজ ১৭ শতক ভূমি দান করেন। এলাকার মানুষের আর্থিক দান ও সরকারী সাহায্যে কলেজটির নির্ধারিত স্থানে একটি আধাপাকা ঘর নির্মান করা হয়। ২০০০ সালে তৎকালীন মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ এর ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠায় ফ্যাসেলিটিজ ডিপার্টমেন্ট কর্তৃক ১টি তিনতলা ভবনের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করা হয়। ২০০০ সালে কলেজটি উচ্চ মাধ্যমিক পর্যয়ে এম.পি.ও ভূক্ত হয়। ২০০৩সালে জনাব এম.এম. শাহীন- এম.পি একাডেমীক ভবনর শুভ উদ্ভোধন করেন। প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে কলেজ সাংগঠনিক কমিটিতে নবাব আলী আববাছ খান সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া বিভিন্ন সময়ে কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার, কুলাউড়া মহোদয়গন তাদের দায়িত্বকালীন সময়ে কলেজটি সার্বিকভাবে অগ্রসর হয়। এবং অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। (১) জনাব আলহাজ্ব এ.এন.এম. ইউসুফ (অধ্যক্ষ, প্রতিষ্ঠাকালীন) (২) খন্দকার মো. আব্দুল ওয়াহিদ সারোয়ার (ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ) (৩) জনাব মো. আতাউর রহমান (ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ)। ২০০২ সালের আগষ্ট মাসে কলেজ গভর্নিং বডি সময়ের প্রয়োজনে একজন পূর্ণকালীন অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ প্রদান করেন। এবং ১/৮/২০০২ খ্রি. জনাব মো. মহিবুর রহমান অধ্যক্ষ পদে দায়িত্ব গ্রহন করেন। তার মেধা, শ্রম, নিষ্ঠা ও দূরদর্শী প্রজ্ঞার মাধ্যমে কলেজের সকল ক্ষেত্রে উন্নয়ন সাধিত হয়। ২০০৬-০৭ শিক্ষাবর্ষে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বি.এস.এস (পাস) কোর্স খোলা হয়। | | | | | লংলা আধুনিক ডিগ্রি কলেজ, গ্রাম- মনরাজ, ইউপি- ৮নং রাউৎগাঁও, মৌজা- মাহমুদপুর, জে.এল #৮৫, দাগ #৩৫৬৬,৩৫৬৭,৩৫৬৮,৩৫৬৯, খতিয়ান # ১১০৮,১৩০৯,৫৫১,৩/৪। কলেজটিতে ১টি তিন তলা ভবন, ৩ টি টিনসেড ভবন রয়েছে। উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায়শিক্ষা শাখায় পাঠদান করা হয়। ২০০৬-০৭ শিক্ষাবর্ষে কলেজেটিতে বি.এস.এস. (পাস) কোর্স চালু করা হয়েছে। বর্তমানে কলেজটিতে মোট শিক্ষার্থী সংখ্যা ১৫৯২ জন। | কলেজ | | | দেখুন |